বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার সভাপতির পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর জন্য ইনফান্তিনোর ওপর চাপ ক্রমেই বাড়ছে। সম্প্রতি সরাসরি ইনফান্তিনোর নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুললেন উয়েফা সভাপতি আলেকজান্ডার সেফেরিন।
উয়েফা প্রধান আলেক্সান্দার সেফেরিন জানিয়েছেন, জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর স্থলাভিষিক্ত হতে আগ্রহী নন তিনি। তবে চাপের মুখে থাকা ফিফা সভাপতিকে পদত্যাগ করতে হবে, নতুবা নেতৃত্বের চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে বলে সতর্ক করেছেন।
ইনফান্তিনোর স্থলাভিষিক্ত হওয়ার দৌড়ে নিজেকে বাইরে রেখে সেফেরিন সোমবার (২৪ আগস্ট) দ্য রেস্ট ইজ পলিটিক্স পডকাস্টে বলেন, “আমি আগ্রহী নই, দুটি কারণে। একটি কারণ হলো, আমি উয়েফাকে ভালোবাসি এবং এখানে কাজ করতে ভালোবাসি। আর আমার মনে হয়, একটা পর্যায়ে জীবনটাকেও একটু উপভোগ করার সময় আসে। আর দ্বিতীয় বিষয় হলো, আমি যদি এই পদের প্রতি আগ্রহী না থাকি, তাহলে আমার বিশ্বাসযোগ্যতা অনেক, অনেক বেশি থাকে।”
ফিফা টুর্নামেন্ট পরিচালনার জন্য একটি কোম্পানিতে বেসরকারি বিনিয়োগ নেওয়ার বিতর্কিত পরিকল্পনার কথা ইনফান্তিনো প্রকাশ করার পর থেকেই তার কঠোর সমালোচনা করে আসছেন সেফেরিন।
সাবেক উয়েফা মহাসচিব ইনফান্তিনো ২০১৬ সালে সেপ ব্লাটারের স্থলাভিষিক্ত হয়ে ফিফা সভাপতি হওয়ার সময় ইউরোপের দেশগুলোর ব্যাপক সমর্থন পেয়েছিলেন। তবে সেফেরিন জানান, বর্তমান পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন।
কনকাকাফ সভাপতি ভিক্টর মন্তাগলিয়ানি এবং এএফসি সভাপতি শেখ সালমান বিন ইব্রাহিম আল-খলিফাকে ইনফান্তিনোর পদে সম্ভাব্য দুই প্রধান চ্যালেঞ্জার হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
রবিবার ফিফা প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় ৫৬ বছর বয়সী ইনফান্তিনো তাকে ঘিরে চলা বিতর্কের দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, “সম্পৃক্ত থাকা, সংলাপ করা এবং মতামত ও দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ করা গুরুত্বপূর্ণ। তাই সামগ্রিকভাবে আমি ইতিবাচক এবং এখানে যে সমর্থন পাচ্ছি, তাতে আমি খুব, খুব খুশি।”

