LogoHormuzan
রাজনীতি

‘বিএনপি ফ্যাসিস্টের ফটোকপি’

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বিএনপির মধ্যে ফ্যাসিস্ট সরকারের ফটোকপি দেখতে পাচ্ছেন বলে মন্তব্য করেছেন।

২ আগস্ট, ২০২৬7 views
‘বিএনপি ফ্যাসিস্টের ফটোকপি’
Daily Muktimarg

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বিএনপির মধ্যে ফ্যাসিস্ট সরকারের ফটোকপি দেখতে পাচ্ছেন বলে মন্তব্য করেছেন।

রবিবার (২ আগস্ট) জাতীয় প্রেসক্লাবে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে লেবার পার্টি আয়োজিত ‘জান দিব, জুলাই দিব না’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

বিএনপি সরকারের উদ্দেশ্যে জামায়াতের আমির বলেন,‘নতুন কিছুই দেখতে পাচ্ছি না। তখনকার ফ্যাসিস্টরা যা করেছে তার একটি ফটোকপি আমরা আপনাদের মধ্যে দেখতে পাচ্ছি।’

বিএনপির উদ্দেশ্যে বিরোধীদলীয় নেতার প্রশ্ন, ‘আপনারাও তো আমাদের মতোই মজলুম ছিলেন, তাহলে এখন কেন জালিম হতে যাচ্ছেন?’

সভায় তিনি আরও বলেন,‘আওয়ামী লীগ আমলে বিএনপির যে ত্যাগ ছিল, তা দলটি ভুলে গিয়ে নিজেরাও আওয়ামী লীগ হয়ে উঠার চেষ্টা করছে।

বিএনপির একজন অ্যাকটিভিস্টকে নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত সচিব পদে এক বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। কী উদ্দেশ্যে তাকে সেখানে বসানো হয়েছে, সেই প্রশ্ন তোলেন তিনি।

হবিগঞ্জে কিশোর আলিফ হোসেনের ওপর হামলার নিন্দা জানিয়ে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ‘চোখ তো শেষ করেছিল শেখ হাসিনা। আপনারা আবার শুরু করলেন কেন? পারবেন চোখটা ফিরিয়ে দিতে? পারবেন না।’

এদিকে জুলাই জাতীয় সনদ মেনে নিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন এলডিপির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীরবিক্রম।

গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি এবং লোডশেডিংয়ের তথ্য তুলে ধরে তারেক রহমান সরকারকে ব্যর্থ বলে বলে আখ্যা দেন এনসিপির মুখ্য সমন্বয়কারী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেছেন, বারবার হামলা করে লাভ হবে না। জেলে যাব নয়তো কবরে, মাথা নত করব না। 

গণভোটের ফল বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে সভাপতির বক্তব্যে লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান বলেন, ১৯৭১ এবং ২০২৪ এর চেতনা এক ও অভিন্ন। কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন এখনো আসেনি।

সভায় আরও বক্তৃতা করেন বিডিপির চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম, নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব মূসা বিন ইযহার, জামায়াতের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি, জাগপার সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন প্রমুখ।

Advertisement

Hormuzan Foundation